ঢাকা, বাংলাদেশ || বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ||

গাজায় ইসরায়েলি বর্বরতায় আরও ৩৯ ফিলিস্তিনি নিহত

পরিবর্তন নিউস ডেস্ক

  ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৫:১৬

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় আরও ৩৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। উপত্যকাটিতে নিহতের সংখ্যা ৩৯ হাজার ৩৬০ ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া গত বছরের অক্টোবর থেকে চলা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৯১ হাজার ফিলিস্তিনি।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

সোমবার (২৯ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের চলমান হামলায় আরও ৩৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে গত বছরের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯ হাজার ৩৬৩ জনে পৌঁছেছে বলে সোমবার অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।


মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিরলস এই হামলায় আরও অন্তত ৯০ হাজার ৯২৩ জন ব্যক্তিও আহত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর করা তিনটি ‘গণহত্যায়’ ৩৯ জন নিহত এবং আরও ৯৩ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।


চীনের ঋণ পরিশোধে বছরে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিচ্ছে কেনিয়া
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ মনে করছে, গাজা উপত্যকা জুড়ে ধ্বংস হওয়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও ১০ হাজারেরও বেশি লোক নিখোঁজ রয়েছেন। মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সত্ত্বেও ইসরায়েল অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

মন্তব্য করুন

হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়া নিহত
ইরানের রাজধানী তেহরানে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৩১ জুলাই) ইরানি মিডিয়ার বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হানিয়া যে ভবনে অবস্থান করছিলেন সেখানে হামলা চালানো হয়। এতে তিনি ও তার একজন দেহরক্ষী নিহত হয়েছেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার জন্য হানিয়া তেহরানে গিয়েছিলেন।
হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়া নিহত
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ৭১ জন
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় আরও ৭১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৪০ হাজার ৪০০ ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া গত বছরের অক্টোবর থেকে চলা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৯৩ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। স্থানীয় সময় রোববার (২৫ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের চলমান হামলায় কমপক্ষে আরও ৭১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে গত বছরের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০ হাজার ৪০৫ জনে পৌঁছেছে বলে রোববার অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিরলস এই হামলায় আরও অন্তত ৯৩ হাজার ৪৬৮ জন ব্যক্তিও আহত হয়েছেন। মন্ত্রণালয় বলেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত আগ্রাসনে ৭১ জন নিহত এবং আরও ১১২ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না। অন্যদিকে চিকিৎসা সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে, রোববার গাজাজুড়ে এসব হামলা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, অ্যাম্বুলেন্স এবং সিভিল ডিফেন্স ক্রুরাও তাদের কাছে পৌঁছাতে পারেননি। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ মনে করছে, গাজা উপত্যকা জুড়ে ধ্বংস হওয়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও ১০ হাজারেরও বেশি লোক নিখোঁজ রয়েছেন। মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সত্ত্বেও ইসরায়েল অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে। উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। মূলত ইসরায়েলি আক্রমণ গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন। এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েল ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ৭১ জন
বন্যা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে পাকিস্তান
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ পোস্ট করেছেন। তিনি বলেছেন, কঠিন এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে পাকিস্তান। শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে এক্স অ্যাকাউন্টে এ পোস্ট দেন তিনি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘বাংলাদেশে বন্যায় প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমি বাংলাদেশের জনগণ এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। এই ট্র্যাজেডির মুহূর্তে বাংলাদেশের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছে পাকিস্তান।’ শেহবাজ শরিফ আরও লেখেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী যে, বাংলাদেশের সহনশীল জনগণ তাদের চারিত্রিক অধ্যবসায় ও দৃঢ়তা দিয়ে এই কঠিন সময়কে অতিক্রম করবে।’ উল্লেখ্য, দেশের ১১টি জেলা বন্যা প্লাবিত আছে। বন্যা তীব্র আকার ধারণ করেছে ফেনীতে। এছাড়া চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালী, সিলেট, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার জেলা বন্যাকবলিত হয়েছে। ১১ জেলায় মোট ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা ৪৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩৫ জন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ৮ লাখ ৮৭ হাজার ৬২৯ জন বলেও জানা গেছে। এখন পর্যন্ত বন্যায় মোট ১৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দুইজন নারী রয়েছেন। এতে কুমিল্লায় ৪ জন, ফেনীতে একজন, চট্টগ্রামে ২ জন, নোয়াখালীতে একজন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন, লক্ষ্মীপুরে একজন এবং কক্সবাজারে তিনজন মারা গেছেন। এদিকে আশ্রয়ের জন্য ৩ হাজার ১৬০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে এক লাখ ৮৮ হাজার ৭৩৯ জন আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়াও ১১ জেলার ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য মোট ৬৩৭টি মেডিকেল টিম চালু রয়েছে। ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, কুমিল্লা, হবিগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুর জেলার বন্যা উপদ্রুত এলাকায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বিজিবি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার কাজে নিয়োজিত রয়েছে।
বন্যা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে পাকিস্তান
আপাতত গাজায় ত্রাণ কার্যক্রম স্থগিত: জাতিসংঘ
গাজা উপত্যকার কেন্দ্রস্থল থেকে ফিলিস্তিনিদের অন্যত্র সরে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। তাদের এই আদেশের কারণে গাজা উপত্যকায় ত্রাণসহায়তা কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে জাতিসংঘ। খবর বিবিসির। জাতিসংঘের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেছেন, নিরাপত্তা জনিত উদ্বেগের কারণে তাদের দাতব্য সংস্থার কর্মীরা সোমবার কাজ করতে পারেননি। তারা বলছেন, ইসরায়েলের ঘোষিত মানবিক অঞ্চলের কিছু অংশসহ দেইর আল-বালাহ শহর খালি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই এলাকায় জাতিসংঘের প্রধান ত্রাণ সহায়তা পরিচালনা কেন্দ্র। কিন্তু ইসরায়েলি নির্দেশনা দেয়ার পরপরই কর্মীদের দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হয়েছে। এমনকি বিভিন্ন সরঞ্জাম সেখানেই ফেলে আসতে হয়েছে। তবে জাতিসংঘের কর্মকর্তা বলছেন, জাতিসংঘের সংস্থাগুলো গাজা ছেড়ে যাবে না। নিরাপদে কাজ করার জন্য তারা এখন নতুন জায়গার খোঁজ করছেন। সোমবার (২৬ আগস্ট) জাতিসংঘের এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, আমরা যে পরিস্থিতিতে আছি সেই পরিস্থিতিতে আমরা আজকে খাবার সরবরাহ করতে পারছি না। আজ সকাল পর্যন্ত আমরা গাজায় কাজ করছি না। তবে তিনি এ-ও বলেন, আমরা গাজা ছাড়ছি না। কারণ সেখানে জনগণের আমাদের প্রয়োজন। আমরা জাতিসংঘের কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়ের সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের চাহিদার ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছি। ফিলিস্তিনি শরণার্থী বিষয়ক জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ-এর সিনিয়র ডেপুটি ফিল্ড ডিরেক্টর স্যাম রোজ সতর্ক করে বলেছেন, জাতিসংঘের কর্মী ও ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের গাজার খুব ছোট ছোট এলাকায় সংকুচিত করে ফেলা হচ্ছে। ভিডিও লিংকের মাধ্যমে নিউইয়র্কের সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইসরায়েল ঘোষিত মানবিক অঞ্চল সংকুচিত হয়েছে। এটি এখন সমগ্র গাজা উপত্যকার মাত্র ১১ শতাংশ। তবে এই ১১ শতাংশ জমিই বসবাসের উপযোগী নয়। এগুলো বালির টিলা, জনাকীর্ণ এলাকা। সেখানে বসবাস করে মানুষ হাঁপিয়ে উঠছে।
আপাতত গাজায় ত্রাণ কার্যক্রম স্থগিত: জাতিসংঘ
রাইসির হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের চূড়ান্ত তদন্তে যা জানা গেল
কোনো শত্রুর হামলা নয়, বৈরি আবহাওয়ার কারণেই বিধ্বস্ত হয় ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার। রোববার (১ সেপ্টেম্বর) ওই দুর্ঘটনার চূড়ান্ত প্রতিবেদন এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। গত ১৯ মে রাষ্ট্রীয় সফর শেষে ফেরার পথে হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে প্রাণ হারান ইরানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। একই দুর্ঘটনায় মারা যান সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেন আমিরাব্দুল্লাহিয়ানসহ বাকি আরোহীরা। এই ঘটনায় ইরানজুড়ে কয়েকদিন ধরে চলে রাষ্ট্রীয় শোক। প্রিয় নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে রাস্তায় লাখ লাখ মানুষের ঢল নেমেছিল। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে নিজ শহর মাশহাদে দাফন করা হয় ইব্রাহিম রাইসিকে। শুরু থেকেই রাইসির হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের কারণ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠতে থাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসতে শুরু করে নানা প্রতিক্রিয়া। এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রকেও দায়ী করেন দেশটির অনেক নেতা। কারণ জানতে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চ পর্যায়ের একটি দল তদন্ত শুরু করে। পর পর প্রতিবেদনও দেয় দলটি। প্রাথমিক রিপোর্টে দুর্ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এর সঙ্গে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড জড়িত নেই বলে জানায় দলটি। গেল মাসে দেশটির বার্তাসংস্থা ফার্স জানায়, দুর্ঘটনার প্রধান কারণ ছিল ঘন কুয়াশা। তাদের দাবি, হেলিকপ্টারটিতে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী বহন করা হচ্ছিল। আর এক্ষেত্রে উপেক্ষা করা হয়েছিল নিরাপত্তা প্রটোকল। যদিও, বার্তা সংস্থাটির এ প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিল দেশটির সেনাবাহিনী। সেসময় কোনো প্রটোকল ভাঙা হয়নি বলে পাল্টা দাবি করা হয়। রোববার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ওই ঘটনার চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। খারাপ আবহাওয়ার কারণেই হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২১ সালে দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির উত্তরসূরী হিসেবে তাকেই বিবেচনা করা হতো।  
রাইসির হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের চূড়ান্ত তদন্তে যা জানা গেল
কিম জং-উনকে ২৪টি ঘোড়া উপহার পুতিনের
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনকে ২৪টি ঘোড়া উপহার দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর আগে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য রাশিয়াকে কামানের গোলা দিয়েছিলেন উন। এরই বিনিময়ে কিমকে এই ঘোড়াগুলো উপহার দিলেন পুতিন। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে রোববার ( ১ সেপ্টেম্বর) টাইমস সাময়িকীর বরাত দিয়ে ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, ইউক্রেনের সঙ্গে চলমান বিরোধের মধ্যে রাশিয়ায় পাঠানো উত্তর কোরিয়ার আর্টিলারি শেলগুলোর বিনিময়ে এই উপহার পাঠানো হয়েছে। এই ‘অরলভ ট্রটার’ জাতের ঘোড়াগুলো কিমের পছন্দ বলেও জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে। দুই বছর আগেও পিয়ংইয়ংকে ৩০টি ‘অরলভ ট্রটার’ উপহার দিয়েছিল রাশিয়া। এদিকে ২০১৯ সালে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রকাশ করা কিমের একটি ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল যা সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, একটি পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাতের মধ্য দিয়ে একটি সাদা ঘোড়ায় চড়ে পাহাড়ে উঠছেন কিম। কিম যে ঘোড়ায় চড়েছিলেন তা উত্তর কোরিয়ার ঐতিহ্যের প্রতীক। কিমের মতো পুতিনেরও একটি বিখ্যাত ছবি আছে। যেখানে তিনি চোখে সানগ্লাস, গলায় সোনার চেইন এবং সেনাবাহিনীর ট্রাউজার পরে একটি বাদামী ঘোড়ায় চড়ে আছেন।
কিম জং-উনকে ২৪টি ঘোড়া উপহার পুতিনের