ঢাকা, বাংলাদেশ || বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ||

ব্রণ ও দাগছোপ দূর করবে করলা

লাইফস্টাইল ডেস্ক

  ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৬:৪১

ব্রণ ও দাগছোপ দূর করবে করলার ফেসপ্যাক মুখের যেকোনো দাগ অনেকসময় আমাদের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। তাই ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে আমরা নানা রকমের চিকিৎসা পদ্ধতির সাহায্য নিয়ে থাকি। হাজার হাজার টাকা খরচ করে বিভিন্ন ধরণের রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করেও কাজ হয় না। তবে এক্ষেত্রে বেশ কার্যকরী একটি উপাদান রয়েছে। যা আমরা সবজি হিসেবে খেয়ে থাকি। আর তা হলো করলা। হ্যাঁ ঠিকই পড়ছেন। ত্বকের যত্নে করলা বেশ কার্যকরী।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

বাড়িতে খাবার মেনুতে করলার তৈরি পদ থাকলে হয়তো খাওয়ার ইচ্ছাটা চলে যায়। কারণ এই তিতা সবজি অনেকেরই অপছন্দ। তিক্ত স্বাদের জন্য করলার তৈরি খাবার ভালবাসেন না অনেকে। আপনিও কি সেই দলে পড়েন? যদি তাই হয় তাহলে বলবো করলার তৈরি খাবার ভালো না বাসলেও চলবে, কিন্তু করলাকে ভালোবাসুন। কারণ এই সবজির মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে সুন্দর ও নিখুঁত ত্বকের রহস্য।

করলাতে ভিটামিন সি, বিটা-ক্যারোটিনের মতো উপাদান রয়েছে, যা ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করে। এই সবজি ত্বককে টানটান রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে করলার জুড়ি মেলা ভার। তবে ঠিক কী উপায়ে করলা ব্যবহার করলে ত্বকের সমস্যা কমবে তা অনেকেই জানেন না। তাই আজকের প্রতিবেদনে ত্বকের যত্নে করলার ব্যবহার সম্পর্কে টিপস দেওয়া হলো:

শসা ও করলার ফেসপ্যাক

ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে এই ফেসপ্যাক। শসা ও করলা একসঙ্গে পেস্ট করে সরাসরি মুখে মাখতে পারেন। এছাড়া এই পেস্ট থেকে রস বের করে সেটাও মুখে মাখতে পারেন। ত্বকে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ দিন এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন।

নিম, হলুদ ও করলার ফেসপ্যাক

নিম ও হলুদ দুটোই ত্বকের জন্য উপকারী। ত্বকের সমস্যা কমাতে এবং ত্বকের জেল্লা বাড়িয়ে তুলতে উপকারী নিম ও হলুদ। আর এই করলা মেশালে উপকার মিলবে দু’গুণ। নিম পাতা ও করলা একসঙ্গে পেস্ট করে নিন। এর সঙ্গে এক চিমটি হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে মুখে মাখতে পারেন। এই ফেসপ্যাক ব্রণ থেকে মুক্তি দেবে।


ত্বকের বার্ধক্য প্রতিরোধে সাহায্য করে ডিম। অন্যদিকে, ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং দাগছোপ কমাতে সাহায্য করে দই। এর সঙ্গে করলা পেস্ট করে নিন। এতে ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে নিন। ২০ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

মন্তব্য করুন

প্রতিদিন পাউরুটি খাওয়া কতোটা স্বাস্থ্যকর
সকালের নাস্তায় বেশিরভাগ মানুষেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে পাউরুটি। অনেকে আবার সন্ধ্যার টিফিনেও এটি খেয়ে থাকেন। কর্মব্যস্ত জীবনে ঝটপট নাশতা হিসেবে পাউরুটি দিয়ে বিভিন্ন খাবারের পদ নাশতা হিসেবে খাওয়া হয়। যেমন-পাউরুটির টোস্ট, স্যান্ডউইচ কিংবা জ্যাম বা মাখন লাগিয়ে খেতে বেশ ভালোই লাগে। আর খেতে খুব বেশি সময়ও যায় না। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানে না যে, অতিরিক্ত পরিমাণে পাউরুটি খেলে তা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুব খারাপ। এর ফলে বেশ কিছু মারণ রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বিষয়টির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, খালি পেটে ইস্ট জাতীয় খাবার না খাওয়ার কথা বলছেন চিকিৎসকরা। আর পাউরুটি ইস্ট দিয়েই তৈরি করতে হয়। নিয়মিত সকালে এটি খান এমন অনেকেই আছেন। পাউরুটি প্রতিদিন খাওয়ার মত খাবার নয়। এই খাবার খালি পেটে খেলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। কেউ যদি দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত পাউরুটি খান তবে সেটি তার শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষ করে এটি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলতে পারে মস্তিষ্কে। কারণ, পাউরুটিতে থাকা কয়েকটি যৌগ শরীরে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষতি হতে পারে। Check out TONI's video! #TikTok https://t.co/tojfSBEhlr — BreeFit (@BreeFitHealth) September 19, 2024 গবেষকরা বলছেন, প্রতিদিন পাউরুটি খেলে শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। যে কারণে হৃদরোগের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তাই যাদের বয়স একটু বেশি তাদের জন্য নিয়মিত পাউরুটি খাওয়া ক্ষতিকর। এতে গ্লুটেনের অস্তিত্ব বেশি হওয়ায় খাওয়ার পর অনেকের পেটে গ্যাস, অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দেয়। যাদের আগে থেকেই পেটে গ্যাস, অ্যাসিডিটির সমস্যা রয়েছে তারা পাউরুটি খেলে এই সমস্যা আরও জটিল হয়ে পড়ে।           View this post on Instagram                       A post shared by Ayush Singh (@wildlife.ayush) পাউরুটি ময়দা থেকে তৈরি হয়। আর এতে ফাইবার কম থাকে। ক্যালোরি ও কার্বোহাইড্রেট বেশি হলেও এ খাবারে প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন ও মিনারেল কম। তাই পাউরুটি আপনার কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হিসেবে কাজ করতে পরে। নিয়মিত পাউরুটি খাওয়া ওজন বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। এতে চিনি আর লবণের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই এটি প্রতিদিন খেলে ওজন বেড়ে যায়। এমনকি উচ্চ রক্তচাপের কারণও হতে পারে।
প্রতিদিন পাউরুটি খাওয়া কতোটা স্বাস্থ্যকর
উচ্চ রক্তচাপ বাড়াতে পারে যেসব খাবার
উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো মানসিক চাপ। এছাড়া খাবারের অনিয়ম এবং অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণেও উচ্চ রক্তচাপের সৃষ্টি হয়। এর চিকিৎসায় দুইটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় যেমন- জীবনধারা পরিবর্তন ও ঔষধ সেবন। কারো ক্ষেত্রে শুধুমাত্র জীবনধারায় পরিবর্তন এনে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়। আবার কারো ক্ষেত্রে তা হয় না। সাধারণত উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত প্রত্যেক রোগীর জন্য দুই ধরণের চিকিৎসাই প্রয়োজন হয়। তবে সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি নির্বাচন করতে বয়স, খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত শরীরচর্চার মতো বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়। বিশেষ করে শরীর সুস্থ রাখতে সকালে নাস্তা করা ভীষণ জরুরি। তবে এক্ষেত্রে একটা ভুলেই বাড়তে পারে আপনার রক্তচাপ। অনেকেই অফিসে যাওয়ার তাড়াহুড়ায় প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবারের ওপর ভরসা রাখেন। আর সেখানেই বিপদ। তাছাড়া এমন কিছু খাবারও রয়েছে যা আপাতদৃষ্টিতে স্বাস্থ্যকর মনে হলেও আসলে তা নয়। তাই এক্ষেত্রে কিছু খাবার না খাওয়াই উত্তম। চলুন সেসব খাবারের নাম জেনে নেওয়া যাক: উচ্চ রক্তচাপ বাড়াতে পারে যেসব খাবার পাউরুটি সকালের নাস্তায় ফ্রেঞ্চ টোস্ট কিংবা পাউরুটি-মাখন আমরা অনেকেই খেয়ে থাকি। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে এখনই এই অভ্যাসে পরিবর্তন আনুন। পাউরুটিতে ভরপুর মাত্রায় সোডিয়াম থাকে। যা রক্তরসের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। ফলে রক্তচাপ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। পরোটা অনেকেই ছুটির দিনে পরোটা দিয়ে নাস্তা করেন। তবে এই খাবারে ক্যালরি ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। প্রতিদিনের ডায়েটে পরোটা রাখলে রক্তচাপ বৃদ্ধি, ওবেসিটি ও হৃদ্‌রোগের মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে। পরোটা মাঝেমধ্যে খেতে হলে তেল ছাড়া সেঁকা পরোটা খেতে পারেন। এক্ষেত্রে সবজির পরোটা, মেথি পরোটা, পালং পরোটা ভালো বিকল্প হতে পারে। ইনস্ট্যান্ট ফুড ঝটপট বানিয়ে ফেলার জন্য বাজারে এখন ইনস্ট্যান্ট রেডি টু ইট খাবারের অভাব নেই। নুডল্‌স, চিড়া ছাড়াও বাজারে গেলে এই ধরনের খাবারের ছড়াছড়ি। এই সব খাবার দীর্ঘ দিন ভালো রাখার জন্য লবণ ও রাসায়নিক সামগ্রী অত্যধিক মাত্রায় মেশানো থাকে। আর এইসব খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করতে মেশানো থাকে নানা রকমের মশলা। এগুলোতে লবণ থাকে। তাই উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা ও কোলেস্টেরল বৃদ্ধির জন্য দায়ী হতে পারে এই খাবার। প্রক্রিয়াজাত মাংস চিকেন সসেজ, বেকন, নাগেট‌্‌স খেতে ভালবাসেন? প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় খুব বেশি মাত্রায় প্রক্রিয়াজাত মাংস রাখলেও কিন্তু রক্তচাপ বাড়তে থাকে। এই মাংসগুলো দীর্ঘ সময় সংরক্ষণের জন্য তাতে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম মেশানো হয়। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই ধরনের প্রসেসড মাংস এড়িয়ে চলাই ভালো।
উচ্চ রক্তচাপ বাড়াতে পারে যেসব খাবার
পিরিয়ডে স্বস্তি দেবে আনারস
পিরিয়ড প্রতিটি নারীর জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। প্রতি মাসের এই ৩ থেকে ৭ দিন অনেকটা রক্ত বের হয়ে যায় শরীর থেকে। যার ফলে আয়রনসহ নানা পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এছাড়া পিরিয়ড হলে অনেকের মাথা,তলপেট বা কোমরে ব্যথা, বমি ভাব, অ্যাসিডিটি ও পাতলা পায়খানা সহ নানা সমস্যা দেখা যায়। তাই অনেকেই এসময় ব্যথা মোকাবিলা করার জন্য ওষুধ, হট ওয়াটার ব্যাগ বা বিশ্রামের মতো উপায় বেছে নেয়। তবে এই অস্বস্তিকর অনুভূতি মোকাবিলা করার জন্য চাইলে প্রাকৃতিক উপায়ও অবলম্বন করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আনারস আপনাকে সাহায্য করবে। এটি অতি কার্যকরী একটি উপাদান। আনারস শুধু খেতে সুস্বাদুই নয়, বরং পিরিয়ডের সময়ের জন্য একটি আদর্শ খাবার হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক পিরিয়ডের সময় আনারস খেলে কী কী উপকার পাওয়া যায়: ১. প্রদাহ দূর করে পিরিয়ডের সময় আনারস খাওয়ার অন্যতম সেরা সুবিধা হলো এই ফল ব্রোমেলেন উপাদানে ভরপুর। এটি এনজাইমের মিশ্রণ যা আনারসের রস এবং মাংসল অংশে পাওয়া যায়। পিরিয়ডের সময় প্রদাহ ব্যথা এবং অস্বস্তির একটি প্রধান কারণ হয়ে ওঠে প্রদাহ। ২০১৬ সালে বায়োমেডিকেল রিপোর্টে প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্র অনুসারে, ব্রোমেলেনের প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা মাসিকের ক্র্যাম্প এবং পেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। সুতরাং এই ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে আনারস খাওয়া উত্তম। ২. স্ট্রেস দূর করে মাসিক চক্রের সময় মুড সুইং এবং স্ট্রেস দেখা দেওয়া খুব স্বাভাবিক। এটি হরমোনের ওঠানামার কারণে ঘটে। এক্ষেত্রে আনারস উপকারী হতে পারে। কারণ আনারসে ম্যাঙ্গানিজ আছে যা রিপোর্ট অনুযায়ী আপনার মেজাজ উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। এছাড়াও এতে আছে ট্রিপটোফান, এটি একটি অ্যামাইনো অ্যাসিড যা সেরোটোনিন বা ফিল-গুড হরমোন তৈরি করতে পরিচিত। ৩. পর্যাপ্ত ভিটামিন সি আমরা সবাই জানি ভিটামিন সি একটি স্বাস্থ্যকর কার্যকরী ইমিউন সিস্টেম বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিন্তু আপনি কি জানেন যে আনারস ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এবং পিরিয়ডের ব্যথা দূর করতে সাহায্য করতে পারে? ২০২২ সালে কিউরিয়াসে প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্র অনুসারে, ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক অ্যাসিড মাসিকের ব্যথা উপশম করতে সাহায্য করতে পারে। এছাড়াও ভিটামিন সি রক্তনালীর দেয়ালকে শক্তিশালী করতে এবং মাসিকের ভারী রক্তপাত কমাতেও সাহায্য করতে পারে। ৪.আয়রন শোষণ করে আনারস ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। JAMA নেটওয়ার্ক ওপেনে প্রকাশিত একটি ২০২০ গবেষণা পত্র অনুসারে, ভিটামিন সি হলো প্রাণীর টিস্যু ছাড়া একমাত্র খাদ্যতালিকাগত টিস্যু। যা আয়রন শোষণে সাহায্য করতে পারে। পিরিয়ডের সময় এর ঘাটতি একটি সাধারণ উদ্বেগ হতে পারে। শরীর রক্তের সঙ্গে আয়রন হারায় এবং এর ফলে দুর্বলতা এবং ক্লান্তি দেখা দেয়। তাই এসময় ডায়েটে আনারস যোগ করে শরীরকে অন্যান্য খাবার যেমন পালং শাক, মসুর ডাল ইত্যাদি থেকে আরও আয়রন শোষণ করতে এবং আপনার শক্তির মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারেন। ৫. পেট ফাঁপা দূর করে পিরিয়ডের সময় পেট ফাঁপা এবং হজমের সমস্যা বেশ সাধারণ। আনারসে ব্রোমেলিন রয়েছে যা কেবল প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্যই নয়, বরং হজমেও সহায়তা করে। এটি পেট ফাঁপা, গ্যাস এবং অন্যান্য অস্বস্তিকর হজম সংক্রান্ত সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও আনারসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কার্যকরী।
পিরিয়ডে স্বস্তি দেবে আনারস